স্পোর্টস ডেস্ক : কোয়ার্টার ফাইনালের প্রথম লেগে এগিয়ে গেল ম্যানচেস্টার সিটি ও ইন্টার মিলান। ঘরের মাঠে বায়ার্ন মিউনিখকে ৩-০ গোলে বিধ্বস্ত করেছে সিটিজেনরা। আরও একটি মাইলফলকে আর্লিং হালান্ড। আর বেনফিকাকে ২-০ গোলে হারিয়েছে ইতালিয়ান প্রতিনিধিরা।
দুই বছর পর চ্যাম্পিয়ন্স লিগে আবার দেখা। সেবার ফাইনালের মঞ্চে কেঁদেছিলেন পেপ গার্দিওয়ালা। আর এবার কোয়ার্টার ফাইনালের প্রথম লেগে বিষাদ থমাস টুখেলের। যদিও অ্যালিয়াঞ্জ অ্যারেনায় তা পুষিয়ে নেবার সুযোগ থাকছে।
ইতিহাদে শুরু থেকে চেনা ছন্দে ম্যানসিটি। আধিপত্য ধরে রেখে বায়ার্নের উপর চাপ সৃষ্টি করেছে বারবার।
স্রোতের বিপরীতে কিছুক্ষনের জন্য নিজেদের খুঁজে পেয়েছিল বাভারিয়ানরা। গোলের সুযোগও তৈরি করেছিল তবে জামাল মুসিয়ালার প্রচেষ্টায় বাধা রুবেন দিয়াজ।
টপ কর্নার, টপ কোয়ালিটি… রদ্রির গোলের সৌন্দর্য্য এখানেই। গোলরক্ষক ইয়ান সমারের যে কিছুই করার ছিল না। চ্যাম্পিয়ন্স লিগে স্প্যানিশ তারকার প্রথম গোলে লিড ম্যানসিটির।
দ্বিতীয়ার্ধে সমতায় ফিরতে মরিয়া বায়ার্ন মিউনিখ আক্রমণ বাড়ায়। লেরয় সানের শটে বাধার দেয়াল এডারসন।
বাকিটা সময় শুধু সিটিজেনদের গল্প। সেখানে আছেন একজন ইয়ান সমারও। রুবেন ডিয়াস, ইল্কায় গুন্দোয়ান, হালান্ডদের আক্রমণে ক্লান্ত বাভারিয়ান সুইস গোলরক্ষক।
দায়োত উপামেকানোর ভুলে ব্যবধান বাড়ে ম্যানসিটির। জ্যাক গ্রিলিশের কাছে বল হারান তিনি। আর হালান্ডের দারুন ক্রসে পারফেক্ট ফিনিসিং বের্নান্দো সিলভার।
ছয় মিনিটের মধ্যে স্কোরশিটের সঙ্গে রেকর্ড বুকেও নাম লেখান আর্লিং হালান্ড। প্রিমিয়ার লিগ যুগে মৌসুমে সবচেয়ে বেশি ৪৫ গোল নরওয়েজিয়ান গোলমেশিনের। বায়ার্নের বিপক্ষে আগের সাতবারের দেখায় কখনো জিততে পারেনি হালান্ড।
ইতিহাদে টানা ২৫ ইউসিএল ম্যাচ অপরাজিত ম্যান সিটি।