<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>ধর্মজীবন &#8211; amadersomoy.net</title>
	<atom:link href="https://amadersomoy.net/archives/category/%E0%A6%A7%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A6%9C%E0%A7%80%E0%A6%AC%E0%A6%A8/feed" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://amadersomoy.net</link>
	<description>আমাদের সময়</description>
	<lastBuildDate>Mon, 19 Feb 2024 05:33:57 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=6.9</generator>
	<item>
		<title>হাদিসের আলোকে ঘুমের আগে ৮ আমল</title>
		<link>https://amadersomoy.net/archives/22301</link>
					<comments>https://amadersomoy.net/archives/22301#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Masteradmin]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 19 Feb 2024 05:33:57 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[2ndlead]]></category>
		<category><![CDATA[ধর্মজীবন]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://amadersomoy.net/?p=22301</guid>

					<description><![CDATA[মুমিনের প্রতিটি কাজই ইবাদত। ঘুমও এর ব্যতিক্রম নয়। আল্লাহ তাআলা পবিত্র কোরআনে বলেন, ‘তোমাদের নিদ্রাকে করেছি— ক্লান্তি দূরকারী।’ (সুরা নাবা, আয়াত : ০৯) যদি কোনো ব্যক্তি ইসলামের নির্দেশিত পদ্ধতিতে ঘুমায়, তার ঘুমও ইবাদতে পরিণত হয়। রাতে ঘুমানোর আগে কিছু করণীয়-বর্জনীয় কাজ রয়েছে। এখানে ঘুমানোর আগের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ আমল দেওয়া হলো— এক. দোয়া পড়া রাসুল (সা.) [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>মুমিনের প্রতিটি কাজই ইবাদত। ঘুমও এর ব্যতিক্রম নয়। আল্লাহ তাআলা পবিত্র কোরআনে বলেন, ‘তোমাদের নিদ্রাকে করেছি— ক্লান্তি দূরকারী।’ (সুরা নাবা, আয়াত : ০৯) </p>
<p>যদি কোনো ব্যক্তি ইসলামের নির্দেশিত পদ্ধতিতে ঘুমায়, তার ঘুমও ইবাদতে পরিণত হয়। রাতে ঘুমানোর আগে কিছু করণীয়-বর্জনীয় কাজ রয়েছে। এখানে ঘুমানোর আগের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ আমল দেওয়া হলো—</p>
<p>এক. দোয়া পড়া</p>
<p>রাসুল (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি শোয়ার পর আল্লাহর নাম নেয় না, তার জন্য আল্লাহর পক্ষ থেকে লাঞ্ছনা নেমে আসবে।’ (আবু দাউদ, হাদিস : ৪৮৫৬)</p>
<p>রাসূলুল্লাহ (সাঃ) যখন ঘুমানোর ইচ্ছা করতেন তখন তাঁর ডান হাত তাঁর গালের নীচে রাখতেন, তারপর এ দো‘আটি বলতেন। (আল্লাহুম্মা বিস্মিকা আমুতু ওয়া আহ্‌ইয়া) অর্থাৎ ‘হে আল্লাহ! তোমার নামে আমি শয়ন করছি এবং তোমারই দয়ায় আমি পুনর্জাগ্রত হব।’। হাদিস শরিফে ঘুমানোর আগে কয়েকটি দোয়া বর্ণিত হয়েছে। সব দোয়া পড়তে না পারলেও ছোট এই দোয়াটি পড়া যায়।</p>
<p>দুই. সুরা ইখলাস ও নাস-ফালাক পড়ে শরীরে ফুঁ দেওয়া</p>
<p>আয়েশা (রা.) বলেন, ‘রাসুলুল্লাহ (সা.) প্রতি রাতে যখন বিছানায় যেতেন, তখন দুই হাত একত্র করে তাতে সুরা ইখলাস, ফালাক ও নাস পড়ে ফুঁ দিতেন। অতঃপর মাথা ও চেহারা থেকে শুরু করে যত দূর সম্ভব দেহে তিনবার দুই হাত বোলাতেন।’ (বুখারি, হাদিস : ৫০১৭)</p>
<p>তিন. আয়াতুল কুরসি পড়া</p>
<p>রাসুল (সা.) বলেন, ‘তুমি যখন শয্যা গ্রহণ করবে, তখন আয়াতুল কুরসি পড়বে। তাহলে আল্লাহর পক্ষ থেকে সর্বদা তোমার জন্য একজন রক্ষক থাকবে এবং সকাল পর্যন্ত শয়তান তোমার কাছে আসতে পারবে না।’ (বুখারি, হাদিস : ২৩১১)</p>
<p>চার. সুরা বাকারার শেষ দুই আয়াত পড়া</p>
<p>কোনো ব্যক্তি ঘুমানোর আগে এ দুই আয়াত পড়লে তা তাদের গোটা রাতের নিরাপত্তার জন্য যথেষ্ট হবে।</p>
<p>রাসুল (সা.) ইরশাদ করেছেন, যদি কোনো ব্যক্তি সুরা বাকারার শেষ দুটি আয়াত পাঠ করে, তবে এটিই তার জন্য যথেষ্ট। (বুখারি, হাদিস : ৫০৪০)</p>
<p>পাঁচ. সুরা মুলক পড়া</p>
<p>রাসুল (সা.) বলেছেন, কোরআনের মধ্যে ৩০ আয়াতবিশিষ্ট একটি সুরা আছে, যেটি কারো পক্ষে সুপারিশ করলে তাকে মাফ করে দেওয়া হয়। সুরাটি হলো তাবারাকাল্লাজি বিয়াদিহিল মুলক (সুরা মুলক)। (তিরমিজি, হাদিস : ২৮৯১)</p>
<p>প্রিয় নবী হযরত মুহম্মদ (সাঃ) বলেন, যে ব্যাক্তি প্রত্যেক রাতে তাবারকাল্লাযী বিইয়াদিহিল মুলক (সূরা মূলক) পাঠ করবে এর মাধ্যমে মহিয়ান আল্লাহ্ তাকে কবরের আযাব থেকে রক্ষা করবেন। (নাসাই &#8211; শাইখ আলবানি (রঃ) হাদিসটাকে হাসান সহিহ বলেছেন এছাড়াও (তিরমিজি, হাদিস : ২৮৯১)।</p>
<p>ছয়. কুরআনের এক তৃতীয়াংশ পড়া</p>
<p>একদা রাসূলুল্লাহ (সাঃ) তার সাহাবাদের বললেন, তোমাদের কেউ কি এক রাতে এক তৃতীয়াংশ কুরআন পড়তে অসমর্থ হবে? এতে সকলকে বিষয়টি ভারী মনে হলো। বলল, একাজ আমাদের মধ্যে কে পারবে, হে আল্লাহর রাসূল?! তিনি বললেন, সূরা ইখলাস হল এক তৃতীয়াংশ কুরআন। (বুখারী হাদিস :- ৫০১৫)</p>
<p>সাত. তাসবিহ পাঠ</p>
<p>প্রিয় নবী হযরত মুহম্মদ (সাঃ) হযরত আলী এবং ফতেমা (রাঃ)- কে বলেন, আমি কি তোমাদেরকে এমন কিছু বলে দিবো না যা তোমাদের জন্য খাদেম অপেক্ষাও উত্তম হবে? যখন তোমরা তোমাদের বিছানায় যাবে, তখন তোমরা ৩৩ বার সুবহানাল্লাহ, ৩৩ বার আলহামদুলিল্লাহ্, এবং ৩৪ বার আল্লাহু আকবার বলবে, তা খাদেম অপেক্ষাও তোমাদের জন্য উত্তম হবে। (বুখারী হাদিস :-৩৭০৫)।</p>
<p>আট. সূরা কা-ফিরুন পাঠ</p>
<p>প্রিয় নবী হযরত মুহম্মদ (সাঃ) বলেছেন, রাতে (কুল ইয়া আইয়্যু হাল কা-ফিরুন) (অর্থাৎ সূরা কা-ফিরুন) পাঠ করা শির্ক থেকে মুক্তি পেতে উপকারী। _(সহীহ তারগীব-৬০২)।</p>
<p>মহান আল্লাহ আমাদের এই আমলগুলো করার তাওফিক দিন এবং আমাদের সর্বোত্তম সওয়াব ও প্রতিদান দিন। আমিন। </p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://amadersomoy.net/archives/22301/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>আজ পবিত্র আশুরা</title>
		<link>https://amadersomoy.net/archives/14810</link>
					<comments>https://amadersomoy.net/archives/14810#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Masteradmin]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 29 Jul 2023 03:36:59 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[2ndlead]]></category>
		<category><![CDATA[ধর্মজীবন]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<category><![CDATA[আজ পবিত্র আশুরা]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://amadersomoy.net/?p=14810</guid>

					<description><![CDATA[ঢাকা: আজ শনিবার (২৯ জুলাই) ১০ মহররম পবিত্র আশুরা। যথাযোগ্য ধর্মীয় মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যপূণ পরিবেশে নানা-কর্মসূচির মধ্য দিয়ে সারাদেশে পালিত হবে দিনটি। মহররমের ১০ তারিখ বিশ্ব মুসলিম সম্প্রদায়ের কাছে ধর্মীয়ভাবে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। এদিন ঐতিহাসিক কারবালার ময়দানে হৃদয়বিদারক ঘটনা ছাড়াও বিভিন্ন ঘটনার কারণে দিনটি বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। রোজাসহ বিভিন্ন নফল ইবাদতের মধ্য দিয়ে মুসলিমরা দিনটি [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ঢাকা: আজ শনিবার (২৯ জুলাই) ১০ মহররম পবিত্র আশুরা। যথাযোগ্য ধর্মীয় মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যপূণ পরিবেশে নানা-কর্মসূচির মধ্য দিয়ে সারাদেশে পালিত হবে দিনটি।</p>
<p>মহররমের ১০ তারিখ বিশ্ব মুসলিম সম্প্রদায়ের কাছে ধর্মীয়ভাবে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। এদিন ঐতিহাসিক কারবালার ময়দানে হৃদয়বিদারক ঘটনা ছাড়াও বিভিন্ন ঘটনার কারণে দিনটি বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। রোজাসহ বিভিন্ন নফল ইবাদতের মধ্য দিয়ে মুসলিমরা দিনটি উদযাপন করে থাকেন।</p>
<p>পবিত্র আশুরা উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. মোঃ সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আশুরার তাৎপর্য তুলে ধরে পৃথক বাণী দিয়েছেন।</p>
<p>পবিত্র আশুরা উপলক্ষে আজ শনিবার সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এ উপলক্ষে আজ বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় বিশেষ নিবন্ধ প্রকাশ করেছে। এছাড়া বাংলাদেশ বেতার ও বাংলাদেশ টেলিভিশনসহ বিভিন্ন বেসরকারি গণমাধ্যম এবং স্যাটেলাইট টিভি চ্যানেল এই দিনের তাৎপর্য তুলে ধরে বিশেষ অনুষ্ঠানমালা সম্প্রচার করবে।</p>
<p>পবিত্র আশুরা উপলক্ষে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে শনিবার দুপুর দেড়টায় বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে ‘পবিত্র আশুরার গুরুত্ব ও তাৎপর্য’ শীর্ষক এক আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে।</p>
<p>দিবসটি উপলক্ষে দেওয়া বাণীতে রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন বলেন, পবিত্র আশুরার মহান শিক্ষা আমাদের সকলের জীবনে প্রতিফলিত হোক। কারবালার শোকাবহ ঘটনার স্মৃতিতে ভাস্বর পবিত্র আশুরার শাশ্বত বাণী আমাদেরকে অন্যায় ও অত্যাচারের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে উদ্বুদ্ধ করে, প্রেরণা যোগায় সত্য ও সুন্দরের পথে চলার। পবিত্র আশুরার মহান শিক্ষা আমাদের সকলের জীবনে প্রতিফলিত হোক- এ প্রত্যাশা করি।</p>
<p>প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আশুরা উপলক্ষে দেওয়া বাণীতে বলেন, আসুন পবিত্র আশুরার মর্মবাণী অন্তরে ধারণ করে জনকল্যাণমুখী কাজে অংশ নেওয়ার মাধ্যমে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের বৈষম্যহীন, সুখী, সমৃদ্ধ ও শান্তিপূর্ণ সোনার বাংলা তথা স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তুলি।</p>
<p>সরকারপ্রধান বলেন, পবিত্র আশুরা অত্যন্ত শোকাবহ, তাৎপর্যপূর্ণ মহিমান্বিত একটি দিন। বিভিন্ন কারণে দিনটি বিশ্বের মুসলমানদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, পবিত্র ও ভাবগাম্ভীর্যপূর্ণ।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://amadersomoy.net/archives/14810/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>দুশ্চিন্তা ও ঋণ থেকে মুক্তির দোয়া</title>
		<link>https://amadersomoy.net/archives/11756</link>
					<comments>https://amadersomoy.net/archives/11756#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Masteradmin]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 09 Jun 2023 06:17:27 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ধর্মজীবন]]></category>
		<category><![CDATA[দুশ্চিন্তা ও ঋণ থেকে মুক্তির দোয়া]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://amadersomoy.net/?p=11756</guid>

					<description><![CDATA[ঢাকা : ইসলাম একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থা। মানব জীবনে এমন কোনো সমস্যা নেই যার সমাধান মহান আল্লাহ পবিত্র কোরআনে এবং রাসূল (সা.) তার হাদিসে বাতলে দেননি। মানুষ ব্যক্তিগত, পারিবারিক ও অফিশিয়ালসহ নানা কারণে দুশ্চিন্তায় পড়ে থাকেন। এছাড়া যাপিত জীবনে অনেক সময় আয়ের থেকে ব্যয়ের পরিমাণ বেশি হয়ে যায়। এ কারণে অনিচ্ছাকৃতভাবেই ঋণ হয়ে যায়। একবার ঋণের [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ঢাকা : ইসলাম একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থা। মানব জীবনে এমন কোনো সমস্যা নেই যার সমাধান মহান আল্লাহ পবিত্র কোরআনে এবং রাসূল (সা.) তার হাদিসে বাতলে দেননি। মানুষ ব্যক্তিগত, পারিবারিক ও অফিশিয়ালসহ নানা কারণে দুশ্চিন্তায় পড়ে থাকেন। এছাড়া যাপিত জীবনে অনেক সময় আয়ের থেকে ব্যয়ের পরিমাণ বেশি হয়ে যায়। এ কারণে অনিচ্ছাকৃতভাবেই ঋণ হয়ে যায়। একবার ঋণের জালে জড়ালে তা থেকে মুক্তি পাওয়া দুষ্কর। তবে দুশ্চিন্তা ও ঋণ থেকে নিরাপদে ও দূরে থাকার জন্য হাদিসে বর্ণিত কিছু দোয়ার আমল রয়েছে।</p>
<p>দুশ্চিন্তা ও ঋণ থেকে মুক্তির দোয়া : হজরত আবু সাইদ খুদরি (রা.) থেকে বর্ণিত, আল্লাহর রাসূল হযরত মুহাম্মদ (সা.) বলেছেন, যিনি ওই দোয়াটি সকাল-সন্ধ্যা পাঠ করবে, আল্লাহ তা’আলা তার সব ঋণ ও দুশ্চিন্তা দূর করবেন।</p>
<p>اللَّهُمَّ إِنِّيْ أَعُوْذُ بِكَ مِنْ الْهَمِّ وَالْحَزَنِ وَالْعَجْزِ وَالْكَسَلِ وَالْبُخْلِ وَالْجُبْنِ وَضَلَعِ الدَّيْنِ وَغَلَبَةِ الرِّجَالِ</p>
<p>বাংলা উচ্চারণ : আল্লাহুম্মা ইন্নি আউজুবিকা মিনাল হাম্মি ওয়াল হাযানি ওয়াল আঝযি ওয়াল কাসালি ওয়াল বুখলি ওয়াল ঝুবনি ওয়া দালায়িদ-দাইনি ওয়া গালাবাতির-রিঝালি।</p>
<p>অর্থ : হে আল্লাহ! আমি দুশ্চিন্তা ও পেরেশানি থেকে আশ্রয় চাই, অক্ষমতা ও অলসতা থেকে আশ্রয় চাই, কৃপণতা ও ভীরুতা থেকে আশ্রয় চাই, ঋণভার ও মানুষজনের প্রাধান্য থেকে আপনার কাছে মুক্তি চাই। (সহিহ বুখারি, হাদিস নং ২৮৯৩)</p>
<p>নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সব সময় ভয়-চিন্তা-পেরেশানির পাশাপাশি ঋণ থেকে মুক্তি চাইতেন। তাই যারা ঋণগ্রস্ত; তাদের জন্য ঋণমুক্তিতে নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের শেখানো দোয়ার আমল করা জরুরি।</p>
<p>হজরত আলি রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেছেন, ‘চুক্তিবদ্ধ এক গোলাম (ক্রীতদাস) তাঁর কাছে এসে বললো, আমার চুক্তির অর্থ পরিশোধ করতে পারছি না। আমাকে আপনি সহযোগিতা করুন। তিনি বললেন, আমি কি তোমাকে এমন একটি বাক্য শিখিয়ে দেবো না; যা আমাকে নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম শিখিয়েছিলেন? যদি তোমার উপর সীর (সাবীর) পাহাড় পরিমাণ ঋণও থাকে তবে আল্লাহ তাআলা তোমাকে তা পরিশোধের ব্যবস্থা করে দেবেন। তিনি বললেন, তুমি পড়-</p>
<p>اللَّهُمَّ اكْفِنِي بِحَلاَلِكَ عَنْ حَرَامِكَ، وَأَغْنِنِي بِفَضْلِكَ عَمَّنْ سِوَاكَ</p>
<p>বাংলা উচ্চারণ : আল্লাহুম্মাকফিনি বিহালালিকা আন হারামিকা ওয়া আগনিনি বিফাদলিকা আম্মান সিওয়াক।</p>
<p>অর্থ : হে আল্লাহ! তোমার হালালের মাধ্যমে আমাকে তোমার হারাম থেকে দূরে রাখ এবং তোমার দয়ায় তুমি ছাড়া অন্য কারো মুখাপেক্ষী হওয়া থেকেও আমাকে আত্মনির্ভরশীল (ঋণমুক্ত) করো। (তিরমিযি ৩৫৬৩)</p>
<p>এ দোয়াটি ঋণ পরিশোধের নিয়ত ও প্রচেষ্টার পাশাপাশি নামাজের দুই সেজদার মাঝে বসে মহান আল্লাহর কাছে বেশি বেশি কামনা করা। এছাড়া বিশুদ্ধ নিয়তে আল্লাহর কাছে ঋণমুক্তির আশ্রয় চাইলে ঋণগ্রস্ত ব্যক্তিদের তা থেকে মুক্ত করবেন মহান আল্লাহ, ইনশাআল্লাহ।</p>
<p>পাশাপাশি সুযোগ পেলেই বেশি বেশি এ দোয়া পড়তে হবে। ফরজ নামাজের পর পড়ব। আজানের পর পড়ব। দুই খুতবার মাঝে পড়ব। জুমার দিন আসরের পর পড়ব। নফল সুন্নতের সিজদা ও শেষ বৈঠকে পড়ব।</p>
<p>اللَّهُمَّ فَارِجَ الْهَمِّ، كَاشِفَ الْغَمِّ، مُجِيبَ دَعْوَةِ الْمُضْطَرِّينَ، رَحْمَانَ الدُّنْيَا وَالْآخِرَةِ وَرَحِيمَهُمَا، أَنْتَ رَحْمَانِي فَارْحَمْنِي رَحْمَةً تُغْنِينِي بِهَا عَنْ رَحْمَةِ مَنْ سِوَاكَ</p>
<p>বাংলা উচ্চারণ : আল্লাহুম্মা ফা-রিজাল হাম্মি। কা-শিফাল গম্মি। মুজীবা দা&#8217;ওয়াতিল মুদতাররীন। রাহমা-নাদ্দুনইয়া ওয়াল আখিরাতি ওয়া রহীমাহুমা। আনতা রহমানী, ফারহামনী রহমাতান্‌ তুগনীনী বিহা আন রহমাতি মান সিওয়াক।</p>
<p>অর্থ : হে আল্লাহ, আপনি পেরেশানি দুর করার মালিক, দুশ্চিন্তা লাঘবকারী, দুর্দশাগ্রস্ত, দেয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়া সকল নিরুপায় মানুষের দোয়া ও আহবানে সাড়া দানকারী, দুনিয়া এবং আখিরাতে আপনি রহমান, উভয় জগতে আপনি রাহিম, আপনি আমাকে দয়া করে দিন। আমাকে এমন অনুগ্রহ দ্বারা দয়া করুন যা আপনার রহমত ছাড়া অন্য সবার অনুগ্রহ থেকে আমাকে সম্পূর্ণ অমুখাপেক্ষী করে দিবে। (তাবরানী, কিতাবুদ দুআ- ১০৪১। মুসতাদরাকে হাকেম ১৮৯৮)</p>
<p>পরিপূর্ণ আত্মবিশ্বাস আর একিনের সঙ্গে এই দোয়াগুলো পড়ব। ইনশাআল্লাহ ঋণ যত বেশিই হোক, মহান আল্লাহ একটা ব্যবস্থা করেই দেবেন। আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে ঋণ পরিশোধের তাওফিক দান করুন। হাদিসের উপর যথাযথ আমল করার তাওফিক দান করুন। ঋণ পরিশোধ করার মাধ্যমে সবাইকে সর্বোত্তম আমলকারী হিসেবে কবুল করুন। আমিন।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://amadersomoy.net/archives/11756/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>মেয়ের ইচ্ছার বিরুদ্ধে বিয়ে দেওয়া জায়েজ?</title>
		<link>https://amadersomoy.net/archives/10431</link>
					<comments>https://amadersomoy.net/archives/10431#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Masteradmin]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 21 May 2023 07:29:06 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ধর্মজীবন]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://amadersomoy.net/?p=10431</guid>

					<description><![CDATA[ধর্ম ডেস্ক: বিয়ের ক্ষেত্রে ছেলে কিংবা মেয়ের সম্মতি অপরিহার্য। ইসলামের দৃষ্টিতে জোর করে বিয়ে দেওয়া অভিভাবকের জন্য নাজায়েজ এবং আল্লাহর নাফরমানির শামিল। কেননা, এর কারণে দাম্পত্যজীবনের মূল নিয়ামক শক্তি প্রেম-ভালোবাসা নষ্ট হয়। মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয় পারস্পরিক বিশ্বাস ও সম্প্রীতি। অনেক সময় বড় দুর্ঘটনাও ঘটে যায়। এজন্য রাসুলুল্লাহ (স.) বলেছেন, لاَ تُنْكَحُ الْبِكْرُ حَتَّى تُسْتَأْذَنَ وَلاَ [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ধর্ম ডেস্ক: বিয়ের ক্ষেত্রে ছেলে কিংবা মেয়ের সম্মতি অপরিহার্য। ইসলামের দৃষ্টিতে জোর করে বিয়ে দেওয়া অভিভাবকের জন্য নাজায়েজ এবং আল্লাহর নাফরমানির শামিল। কেননা, এর কারণে দাম্পত্যজীবনের মূল নিয়ামক শক্তি প্রেম-ভালোবাসা নষ্ট হয়। মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয় পারস্পরিক বিশ্বাস ও সম্প্রীতি। অনেক সময় বড় দুর্ঘটনাও ঘটে যায়। এজন্য রাসুলুল্লাহ (স.) বলেছেন, لاَ تُنْكَحُ الْبِكْرُ حَتَّى تُسْتَأْذَنَ وَلاَ الثَّيِّبُ حَتَّى تُسْتَأْمَرَ فَقِيلَ يَا رَسُولَ اللهِ كَيْفَ إِذْنُهَا قَالَ إِذَا سَكَتَتْ ‘কুমারী নারী বিয়ে দেওয়া যাবে না, যতক্ষণ পর্যন্ত না তার অনুমতি গ্রহণ করা হবে। আর বিধবা নারী বিয়ে দেওয়া যাবে না, যতক্ষণ পর্যন্ত না তার মত গ্রহণ করা হবে। প্রশ্ন করা হলো- হে আল্লাহর রাসুল! তার অনুমতি কেমন করে? তিনি বললেন, যখন সে নীরব থাকে।’ (বুখারি: ৬৯৬৮)</p>
<p>তাছাড়া জোর করে বিয়ে দেওয়া একটি অনৈতিক কাজ। রাসুলুল্লাহ (স.) ইরশাদ করেছেন, মেয়ে তার ব্যক্তিগত বিষয়ে অভিভাবকের চেয়ে অধিক হকদার। (মুয়াত্তা মালিক: ৮৮৮, সহিহ মুসলিম: ১৪২১, মুসনাদে আহমদ: ১৮৮৮, আবু দাউদ: ২০৯৮, তিরমিজি: ১১০৮, নাসায়ি: ৩২৬০, সহিহ ইবনে হিব্বান: ৪০৮৪)</p>
<p>সালামা বিনতে আব্দুর রহমান (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, একদা এক মেয়ে রাসুলুল্লাহ (স.)-এর কাছে এল। এসে বলল, হে আল্লাহর রাসুল! আমার পিতা কতইনা উত্তম পিতা! আমার চাচাত ভাই আমাকে বিয়ের প্রস্তাব দিল আর তিনি তাকে ফিরিয়ে দিলেন। আর এমন এক ছেলের সাথে বিয়ে দিতে চাইছেন যাকে আমি অপছন্দ করি। এ ব্যাপারে রাসুল (স.) তার পিতাকে জিজ্ঞাসা করলে পিতা বলে, মেয়েটি সত্যই বলেছে। আমি তাকে এমন পাত্রের সাথে বিয়ে দিচ্ছি যার পরিবার ভালো নয়। তখন রাসুল (স.) মেয়েটিকে বললেন, ‘এ বিয়ে হবে না, তুমি যাও, যাকে ইচ্ছে বিয়ে করে নাও।’ (মুসন্নাফে আব্দুর রাজ্জাক: ১০৩০৪, মুসান্নাফে ইবনে আবি শাইবা: ১৫৯৫৩)</p>
<p>বুরাইদা (রা.) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, জনৈক মহিলা নবী (স.)-এর কাছে এসে বলল, আমার পিতা আমাকে তার ভাতিজার কাছে বিয়ে দিয়েছে, যাতে তার মর্যাদা বৃদ্ধি পায়। রাবী বলেন, তখন রাসুল (স.) বিষয়টি মেয়ের এখতিয়ারের ওপর ন্যস্ত করেন, (অর্থাৎ ইচ্ছে করলে বিয়ে রাখতেও পারবে, ইচ্ছে করলে ভেঙ্গেও দিতে পারবে) তখন মহিলাটি বললেন, আমার পিতা যা করেছেন, তা আমি মেনে নিলাম। আমার উদ্দেশ্য ছিল- মেয়েরা যেন জেনে নেয় যে বিয়ের ব্যাপারে পিতাদের মতের অধিকার নেই।’ (ইবনে মাজাহ: ১৮৭৪, দারা কুতনি: ৩৫৫৫)</p>
<p>তবে হ্যাঁ কুমারী মেয়ে মন থেকে রাজি না থাকার পরও সম্মতি দিলে বিয়ে শুদ্ধ হয়ে যায়। (রদ্দুল মুহতার: ৪/৮৭ বাদায়ে: ২/৬০২) </p>
<p>কেননা হাদিসে এসেছে, আবু হুরায়রা (রা.) বলেন, রাসুলুল্লাহ (স.) বলেছেন, ثَلاثٌ جِدُّهُنَّ جِدٌّ وَهَزْلُهُنَّ جِدٌّ : النِّكَاحُ ، وَالطَّلاقُ ، وَالرَّجْعَةُ ‘তিনটি বিষয় এমন রয়েছে যা গোস্বায় হোক বা হাসি ঠাট্টায় হোক সর্বাবস্থায় কার্যকর হয়ে থাকে। বিবাহ, তালাক ও রজয়াত।’ (আবু দাউদ: ২১৯৪ তিরমিজি: ১১৮৪)</p>
<p>আবার মেয়ের বিয়ের ক্ষেত্রে জরুরি একটি বিষয় হলো অভিভাবকের অনুমতি। রাসুলুল্লাহ (স.) বলেন, ‘যে নারী তার অভিভাবকের অনুমতি ছাড়া বিবাহ করবে তার বিবাহ বাতিল, তার বিবাহ বাতিল, তার বিবাহ বাতিল।’ (তিরমিজি: ১০২১, হাদিসটি সহিহ)</p>
<p>অতএব কুমারী মেয়ের অবগতি ও সম্মতি ছাড়া অভিভাবক কেবল নিজের পছন্দমতো কোথাও বিয়ে দিতে পারবে না। একইভাবে কোনো অভিভাবকের অনুমতি ছাড়া বিয়ে করলেও সহিহ হবে না। কেননা মেয়ের বিয়ের দায়িত্ব আল্লাহ তাআলা অভিভাবককে দিয়েছেন। ইরশাদ হয়েছে, ‘আর তোমরা তোমাদের মধ্যে অবিবাহিত নারী-পুরুষদের বিয়ে দাও।’ (সুরা নুর:৩২)</p>
<p>আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহর নারী-পুরুষ সবাইকে বিয়েসহ প্রত্যেক বিষয়ে নবীজির সুন্নত অনুসরণের তাওফিক দান করুন। আমিন।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://amadersomoy.net/archives/10431/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>ফজরের সুন্নত নামাজের কাজা আদায়ের নিয়ম</title>
		<link>https://amadersomoy.net/archives/10428</link>
					<comments>https://amadersomoy.net/archives/10428#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Masteradmin]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 21 May 2023 07:15:05 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[2ndlead]]></category>
		<category><![CDATA[ধর্মজীবন]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://amadersomoy.net/?p=10428</guid>

					<description><![CDATA[ধর্ম ডেস্ক: ‘নিশ্চয় নামাজ মুমিনদের ওপর নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ফরজ’ (সুরা নিসা: ১০৩)। সুবহে সাদিকের পর থেকে সূর্যোদয় হওয়া পর্যন্ত ফজরের নামাজের সময়। সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গেই ফজরের ওয়াক্ত শেষ হয়ে যায়। ওই সময়ের মধ্যে নামাজ পড়তে না পারলে নামাজ কাজা করতে হবে। আর সূর্যোদয়ের হলুদ রঙ দূর হওয়ার পর আলো ভালোভাবে ছড়িয়ে না পড়া পর্যন্ত [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ধর্ম ডেস্ক: ‘নিশ্চয় নামাজ মুমিনদের ওপর নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ফরজ’ (সুরা নিসা: ১০৩)। সুবহে সাদিকের পর থেকে সূর্যোদয় হওয়া পর্যন্ত ফজরের নামাজের সময়। সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গেই ফজরের ওয়াক্ত শেষ হয়ে যায়। ওই সময়ের মধ্যে নামাজ পড়তে না পারলে নামাজ কাজা করতে হবে। আর সূর্যোদয়ের হলুদ রঙ দূর হওয়ার পর আলো ভালোভাবে ছড়িয়ে না পড়া পর্যন্ত নামাজ পড়া নিষেধ। কারণ ওই সময়টি নামাজের জন্য হারাম। কাজা পড়তে হলে এসময়ের পরেই পড়তে হবে। কেননা হাদিসে এসেছে, উকবা বিন আমের জুহানি (রহ.) বলেন—</p>
<p>‘তিনটি সময়ে রাসুলুল্লাহ (স.) আমাদের নামাজ পড়তে এবং মৃতের দাফন করতে নিষেধ করতেন। (১) সূর্য উদয়ের সময়; যতক্ষণ না তা পুরোপুরি উঁচু হয়ে যায়। (২) সূর্য মধ্যাকাশে অবস্থানের সময় থেকে নিয়ে তা পশ্চিমাকাশে ঢলে পড়া পর্যন্ত। (৩) যখন সূর্য অস্ত যায়।’ (সহিহ মুসলিম: ১৩৭৩)</p>
<p>ফিকহের কিতাব থেকে জানা যায়, ফজরের সময়ে সূর্যোদয়ের পর সর্বোচ্চ ১১মিনিট পর্যন্ত এবং মাগরিবের সময়ে সূর্যাস্তের পূর্বে সর্বোচ্চ ১৬মিনিট পর্যন্ত মাকরুহ বা হারাম সময়। (আহসানুল ফতোয়া: ২/১৪৩)</p>
<p>মুসলিম মাত্রই সবসময় একটি কথা স্মরণ রাখা উচিত, সেটি হলো- নামাজের ব্যাপারে অবহেলা করা যাবে না। আল্লাহ তাআলা ওসব নামাজিদের ব্যাপারে বলেন, ‘অতএব দুর্ভোগ সেসব নামাজির, যারা তাদের নামাজ সম্বন্ধে বে-খবর।’ (সুরা মাউন: ৪-৫)</p>
<p>এই আয়াতের ব্যাখ্যায় আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন, ‘যারা নামাজের নির্দিষ্ট সময় থেকে দেরিতে আদায় করে…।’ (তাফসিরে কুরতুবি: ২০/২১১)</p>
<p>ঘুম বা ভুলে যাওয়ার কারণে যদি নামাজ ছুটে যায়, তাহলে তা কাজা করতে এবং আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইতে হবে। ফজর নামাজ ছুটে গেলেও তা কাজা করা ওয়াজিব। কেননা, রাসুলুল্লাহ (স.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি নামাজ আদায় করতে ভুলে যায় বা সে সময় ঘুমিয়ে থাকায় তা ছুটে যায়, তাহলে তার কাফফারা হলো সে যখনই তা মনে করবে, তখনই (সঙ্গে সঙ্গে) নামাজ আদায় করে নেবে।’ (মুসলিম: ৬৮৪)</p>
<p>ফজরের সুন্নত কাজা করতে হবে?<br />
ফজরের সুন্নত নামাজ সুন্নতে মোয়াক্কাদা। আবার অন্য সকল সুন্নতের চেয়ে এর গুরুত্বও বেশি। হজরত আয়েশা (রা.) বর্ণিত হাদিসে এসেছে, ‘ফজরের দুই রাকাত সুন্নত দুনিয়া ও দুনিয়ার মাঝে যা কিছু রয়েছে, তার চেয়ে উত্তম।’ (মুসলিম: ৭২৫)</p>
<p>অন্য হাদিসের বর্ণনায়, ‘ঘোড়া যদি তোমাদের রেখে চলেও যায়, তবুও ফজরের দুই রাকাত সুন্নত ত্যাগ করো না।’(আবু দাউদ: ১২৫৮)</p>
<p>ফজরের সুন্নত নামাজের কাজা আদায়ের নিয়ম<br />
ফজরের সুন্নতের গুরুত্ব এত বেশি হওয়ার কারণে কাজা করার সময় সুন্নতসহ পড়তে বলেছেন রাসুলুল্লাহ (স.)। অর্থাৎ সূর্য উদিত হওয়ার পরে দুই রাকাত করে— মোট চার রাকাত (দুই রাকাত সুন্নত ও দুই রাকাত ফরজ) নামাজ আদায় করে নেওয়া। নবীজি (স.) বলেন, ‘যে ফজরের দুই রাকাত (সুন্নত) পড়তে পারে না, সে যেন তা সূর্যোদয়ের পর পড়ে নেয়।’ (তিরমিজি: ৪২৩)</p>
<p>ফিকহের কিতাবে রয়েছে, ছুটে যাওয়া ফজরের নামাজ যদি ওইদিন জোহরের ওয়াক্ত শুর হওয়ার পূর্বেই কাজা করা হয়, তাহলে দুই রাকাত দুই রাকাত করে মোট চার রাকাত পড়তে হবে। আর যদি জোহরের ওয়াক্ত শুরু হয়ে যাওয়ার পর কাজা করা হয়, তাহলে শুধু দুই রাকাত ফরজ পড়তে হবে; সুন্নত পড়ার দরকার নেই। (সূত্র: সুনানে তিরমিজি: ৪২৩; আল-মাবসুত, সারাখসি: ১/১৬১)</p>
<p>অতএব কোনোকারণে যদি ফজরের নামাজ ছুটে যায়, তাহলে তা আমরা সুন্নতসহ পড়ার চেষ্টা করব, আর সুন্নতসহ পড়তে হলে যেহেতু জোহরের ওয়াক্ত শুরু হওয়ার আগেই ফজরের নামাজের কাজা আদায় করে নেব ইনশাআল্লাহ।</p>
<p>আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে নামাজের ব্যাপারে আরও বেশি সজাগ ও সচেতন হওয়ার তাওফিক দান করুন। সহিহ সুন্নাহ অনুযায়ী নামাজ পড়ার তাওফিক দান করুন। আমিন।</p>
<p>ফজরের সুন্নত আগে নাকি ফরজ আগে, ইকামত শুরু হলে ফজরের সুন্নত আদায় করা যাবে কিনা, ফজরের সুন্নত নামাজে কোন সূরা পড়তে হয়, ফজরের দুই রাকাত সুন্নত নামাজের নিয়ম, ফজরের ফরজ নামাজের পর সুন্নত পড়া যাবে কিনা, ফজরের নামাজের সুন্নত আগে না পরে, ফজরের সুন্নত কাযা পড়ার নিয়ম, ফজরের সুন্নত নামাজের পর দোয়া, ফজরের সুন্নত কি কাযা করতে হবে, ফজরের দুই রাকাত সুন্নত নামাজের নিয়ম, ফজরের সুন্নত নামাজের পর দোয়া, ফজরের সুন্নত নামাজের নিয়ম, ফজরের সুন্নতের কাযা, ফজরের সুন্নত আগে না পরে</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://amadersomoy.net/archives/10428/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>হজযাত্রী নিবন্ধনের সময় আরও বাড়ল</title>
		<link>https://amadersomoy.net/archives/7831</link>
					<comments>https://amadersomoy.net/archives/7831#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Masteradmin]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 07 Apr 2023 11:35:12 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[2ndlead]]></category>
		<category><![CDATA[ধর্মজীবন]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<category><![CDATA[হজযাত্রী নিবন্ধনের সময় আরও বাড়ল]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://amadersomoy.net/?p=7831</guid>

					<description><![CDATA[ঢাকা : হজযাত্রী নিবন্ধনের সময় আবারও বাড়ানো হয়েছে। বর্ধিত সময় অনুযায়ী, আগামী ১১ এপ্রিল পর্যন্ত নিবন্ধন করা যাবে। ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের হজ-১ শাখার উপসচিব আবুল কাশেম মুহাম্মদ শাহীন সাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। মন্ত্রণালয়ের দেওয়া সর্বশেষ তথ্যমতে, ৯ হাজার ৯৯৬ জন সরকারিভাবে এবং ১ লাখ ৯ হাজার ২১৬ জন বেসরকারিভাবে হজের উদ্দেশ্যে নিবন্ধিত [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ঢাকা : হজযাত্রী নিবন্ধনের সময় আবারও বাড়ানো হয়েছে। বর্ধিত সময় অনুযায়ী, আগামী ১১ এপ্রিল পর্যন্ত নিবন্ধন করা যাবে। ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের হজ-১ শাখার উপসচিব আবুল কাশেম মুহাম্মদ শাহীন সাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।</p>
<p>মন্ত্রণালয়ের দেওয়া সর্বশেষ তথ্যমতে, ৯ হাজার ৯৯৬ জন সরকারিভাবে এবং ১ লাখ ৯ হাজার ২১৬ জন বেসরকারিভাবে হজের উদ্দেশ্যে নিবন্ধিত হয়েছেন। নিবন্ধনের কোটা পূরণ হতেই স্বেচ্ছায় হজ নিবন্ধন সার্ভার বন্ধ হয়ে যাবে।</p>
<p>প্রসঙ্গত, চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ২৮ জুন (৯ জিলহজ) পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হবে। গত ৯ জানুয়ারি সম্পাদিত সৌদি আরবের সাথে চুক্তি মতে এবছর সর্বমোট ১ লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জন বাংলাদেশ থেকে হজে যেতে পারবেন।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://amadersomoy.net/archives/7831/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>চাঁদ দেখা যায়নি, শুক্রবার থেকে রোজা শুরু</title>
		<link>https://amadersomoy.net/archives/7672</link>
					<comments>https://amadersomoy.net/archives/7672#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Masteradmin]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 22 Mar 2023 13:52:44 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Leadnews]]></category>
		<category><![CDATA[ধর্মজীবন]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<category><![CDATA[চাঁদ দেখা যায়নি]]></category>
		<category><![CDATA[শুক্রবার থেকে রোজা শুরু]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://amadersomoy.net/?p=7672</guid>

					<description><![CDATA[ঢাকা : দেশের আকাশের কোথাও বুধবার (২২ মার্চ) পবিত্র রমজান মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। ফলে বৃহস্পতিবার (২৩ মার্চ) শাবান মাসের ত্রিশ দিন পূর্ণ হবে। আর শুক্রবার (২৪ মার্চ) থেকে রোজা শুরু হবে। বুধবার সন্ধ্যায় বায়তুল মোকাররমে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভাকক্ষে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভা শেষে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী ও জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভাপতি মো. ফরিদুল [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ঢাকা : দেশের আকাশের কোথাও বুধবার (২২ মার্চ) পবিত্র রমজান মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। ফলে বৃহস্পতিবার (২৩ মার্চ) শাবান মাসের ত্রিশ দিন পূর্ণ হবে। আর শুক্রবার (২৪ মার্চ) থেকে রোজা শুরু হবে।</p>
<p>বুধবার সন্ধ্যায় বায়তুল মোকাররমে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভাকক্ষে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভা শেষে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী ও জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভাপতি মো. ফরিদুল হক খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।</p>
<p>সভায় ধর্ম প্রতিমন্ত্রী জানান, সব জেলা প্রশাসন, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের প্রধান কার্যালয়, বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয়, আবহাওয়া অধিদপ্তর, মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন কেন্দ্র থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী সন্ধ্যায় বাংলাদেশের কোথাও হিজরি ১৪৪৪ সনের রমজান মাসের চাঁদ দেখা যায়নি।</p>
<p>বৃহস্পতিবার শাবান মাসের ৩০ দিন পূর্ণ হচ্ছে। শুক্রবার থেকে রমজান মাস গণনা শুরু হবে। আগামী ১৮ এপ্রিল দিনগত রাতে (রমজানের ২৬তম রাত) পবিত্র লাইলাতুল কদর পালিত হবে বলেও জানান তিনি।</p>
<p>এক্ষেত্রে বৃহস্পতিবার রাতে এশার নামাজের পর তারাবি নামাজ শুরু হবে। রোজা রাখতে শেষ রাতে সেহেরি খাবেন মুসলমানরা। ঢাকায় প্রথম দিন সেহেরির শেষ সময় রাত ৪টা ৩৯ মিনিট। শুক্রবার প্রথম রোজার ইফতারের সময় ৬টা ১৪ মিনিট।</p>
<p>এদিকে, মঙ্গলবার চাঁদ দেখা না যাওয়ায় সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যে রমজান শুরু হচ্ছে বৃহস্পতিবার।</p>
<p>ক্যালেন্ডার অনুযায়ী আরবি মাস ২৯ অথবা ৩০ দিনে হয়ে থাকে। মাসের শুরু অথবা শেষ চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে।</p>
<p>এদিকে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সৌদি আরবের আকাশের কোথাও রমজান মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। বুধবার (২২ মার্চ) শাবান মাসের ত্রিশ দিন পূর্ণ হবে এবং বৃহস্পতিবার থেকে রমজান মাস শুরু হবে।</p>
<p>মুসলমানদের কাছে রমজান সংযম, আত্মশুদ্ধি ও ত্যাগের মাস। রহমত (আল্লাহর অনুগ্রহ), মাগফেরাত (ক্ষমা) ও নাজাত (দোজখের আগুন থেকে মুক্তি)- এই তিন অংশে বিভক্ত এই মাস। সুবহে সাদিক থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পানাহার, স্ত্রী-সহবাস ও যেকোনো ধরনের পাপ কাজ থেকে বিরত থাকার মাধ্যমে রোজা পালন করেন মুসলমানরা। এ মাসের শেষ অংশে রয়েছে হাজার মাসের ইবাদতের চেয়েও উত্তম কদরের রাত।</p>
<p>ইসলাম ধর্ম অনুযায়ী, এ মাসে প্রতিটি নেক আমলের সওয়াব আল্লাহ পাক রব্বুল আলামিন সাত থেকে ৭০ গুণ পর্যন্ত বাড়িয়ে দেন। রমজান শেষে পালিত হয় মুসলমানদের অন্যতম বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতর।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://amadersomoy.net/archives/7672/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>হজের খরচ কমলো, নিবন্ধনের সময় বাড়ল</title>
		<link>https://amadersomoy.net/archives/7669</link>
					<comments>https://amadersomoy.net/archives/7669#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Masteradmin]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 22 Mar 2023 10:59:40 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Leadnews]]></category>
		<category><![CDATA[ধর্মজীবন]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<category><![CDATA[নিবন্ধনের সময় বাড়ল]]></category>
		<category><![CDATA[হজের খরচ কমলো]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://amadersomoy.net/?p=7669</guid>

					<description><![CDATA[ঢাকা : চলতি বছর হজের খরচ ১১ হাজার ৭২৫ টাকা কমানো হয়েছে। একই সঙ্গে হজযাত্রী নিবন্ধনের সময় ২৭ মার্চ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। বুধবার (২২ মার্চ) ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, বাংলাদেশসহ বিশ্বের সব দেশের জন্য সৌদি আরব মিনার ‘এ’, ‘বি’, ‘সি’ ও ‘ডি’ ক্যাটাগরির তাবুর খরচ বাবদ ৪১৩ [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ঢাকা : চলতি বছর হজের খরচ ১১ হাজার ৭২৫ টাকা কমানো হয়েছে। একই সঙ্গে হজযাত্রী নিবন্ধনের সময় ২৭ মার্চ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।</p>
<p>বুধবার (২২ মার্চ) ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।</p>
<p>এতে বলা হয়, বাংলাদেশসহ বিশ্বের সব দেশের জন্য সৌদি আরব মিনার ‘এ’, ‘বি’, ‘সি’ ও ‘ডি’ ক্যাটাগরির তাবুর খরচ বাবদ ৪১৩ সৌদি রিয়াল কমিয়েছে। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ ১১ হাজার ৭২৫ টাকা। যারা ইতোমধ্যে আগের ফি অনুযায়ী নিবন্ধন করেছেন, তাদের খাবারের টাকার সঙ্গে এই পরিমাণ টাকা ফেরত দেওয়া হবে।</p>
<p>এ ছাড়া হজ নিবন্ধনের সময়সীমা আগামী ২৭ মার্চ পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়।</p>
<p>উল্লেখ্য, গত ২৩ ফেব্রুয়ারি থেকে হজযাত্রীদের নিবন্ধন প্রক্রিয়া শুরু হয়। কিন্তু এখনও নির্ধারিত কোটা পূরণ হয়নি। নিবন্ধনের বাকি এখনও সাড়ে ১১ হাজার।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://amadersomoy.net/archives/7669/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>জুমাবারে সকল সৃষ্টি ভীত-সন্ত্রস্ত থাকে যে কারণে</title>
		<link>https://amadersomoy.net/archives/7204</link>
					<comments>https://amadersomoy.net/archives/7204#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Masteradmin]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 06 Jan 2023 04:22:44 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[2ndlead]]></category>
		<category><![CDATA[ধর্মজীবন]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<guid isPermaLink="false">http://amadersomoy.net/?p=7204</guid>

					<description><![CDATA[ধর্ম ডেস্ক: জুমাবার মুসলমানদের কাছে একটি কাঙ্ক্ষিত দিন। এই দিনকে সাপ্তাহিক ঈদ বলা হয়েছে হাদিসে। সৃষ্টিজগতের শুরু থেকে দিনটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। জুমার দিনেই সংঘটিত হবে মহাপ্রলয় বা কেয়ামত।  আবু হুরায়রা (রা.) বলেন, রাসুলুল্লাহ (স.) বলেছেন, ‘সূর্য যেসব দিন উদিত হয় অর্থাৎ দিনসমূহের মধ্যে সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ দিন হলো জুমার দিন। এই দিনে আল্লাহ তাআলা আদম (আ.)-কে [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ধর্ম ডেস্ক: জুমাবার মুসলমানদের কাছে একটি কাঙ্ক্ষিত দিন। এই দিনকে সাপ্তাহিক ঈদ বলা হয়েছে হাদিসে। সৃষ্টিজগতের শুরু থেকে দিনটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। জুমার দিনেই সংঘটিত হবে মহাপ্রলয় বা কেয়ামত। </p>
<p>আবু হুরায়রা (রা.) বলেন, রাসুলুল্লাহ (স.) বলেছেন, ‘সূর্য যেসব দিন উদিত হয় অর্থাৎ দিনসমূহের মধ্যে সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ দিন হলো জুমার দিন। এই দিনে আল্লাহ তাআলা আদম (আ.)-কে সৃষ্টি করেছেন। তাঁকে দুনিয়াতে নামানো হয়েছে। এই দিনে তিনি মৃত্যুবরণ করেছেন। তাঁর তওবা কবুল হয়েছে। এই দিনেই কেয়ামত সংঘটিত হবে। মানুষ ও জ্বিন ছাড়া এমন কোনো প্রাণী নেই, যারা কেয়ামত কায়েম হওয়ার ভয়ে জুমার দিন ভোর থেকে সূর্য ওঠা পর্যন্ত চিৎকার করতে থাকে না। জুমার দিন একটি সময় আছে, কোনো মুসলিম যদি সে সময় নামাজ আদায় করে আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করে আল্লাহ তাআলা অবশ্যই তাকে তা দান করবেন।’ (মুআত্তা মালেক: ২৯১; মুসনাদে আহমদ: ১০৩০৩; আবু দাউদ: ১০৪৬; নাসায়ি: ১৪৩০; সহিহ ইবনে হিব্বান: ২৭৭২)</p>
<p>আরেক হাদিসে এসেছে, নবী (স.) ইরশাদ করেছেন, সূর্য যেসব দিন উদিত হয় অর্থাৎ দিনসমূহের মধ্যে শ্রেষ্ঠতম দিন হলো জুমার দিন। এই দিনে আদম (আ.)-কে সৃষ্টি করা হয়েছে। এই দিন তাকে জান্নাতে প্রবেশ করানো হয়েছে। এই দিনই তাকে জান্নাত থেকে বের করা হয়েছে। কেয়ামতও সংঘটিত হবে এই দিনেই। (সহিহ মুসলিম: ৮৫৪; মুসনাদে আহমদ: ৯৪০৯; তিরমিজি: ৪৮৮)</p>
<p>হাদিসে লক্ষণীয়- জুমার দিনের বিশেষ কিছু গুরুত্বপূর্ণ দিক রয়েছে। এসবের মধ্যে যোগ হয়েছে কেয়ামতও, যা সবচেয়ে ভয়ঙ্কর। যার ভয়ে ভীত ও আতঙ্কিত থাকে সকল সৃষ্টিকুল। বলা হয়েছে, আল্লাহর নৈকট্যপ্রাপ্ত ফেরেশতারা পর্যন্ত  জুমার দিন (কেয়ামতের আশঙ্কায়) ভীত-সন্ত্রস্ত থাকে। পৃথিবী, আকাশ, বাতাস, পাহাড়, পর্বত, সাগর সবকিছু জুমার দিন (কেয়ামতের আশঙ্কায়) উদ্বিগ্ন থাকে। (মুসান্নাফে ইবনে আবি শায়বা: ৫৫৫৯; মুসনাদে আহমদ: ১৫৫৪৮; ইবনে মাজাহ: ১০৮৪১)</p>
<p>উপরের হাদিসগুলোতে উদ্ধৃত হয়েছে- জুমার দিন সব প্রাণী এই ভয়ে আতঙ্কিত থাকে যে, না-জানি আজই কেয়ামত হয়ে যায়। এবারতের ভিন্নতায় আরেক হাদিসে এসেছে, আবু হুরায়রা (রা.) বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ (স.) বলেছেন, সূর্যের উদয় ও অস্ত যাওয়া দিনগুলোর মধ্যে জুমার দিনের চেয়ে শ্রেষ্ঠ দিন নেই। মানুষ ও জিন ব্যতীত এমন কোনো প্রাণী নেই, যা জুমার দিন (কেয়ামত সংঘটিত হওয়ার আশঙ্কায়) ভীত-সন্ত্রস্ত থাকে না।’ (মুসান্নাফে আবদুর রাজজাক: ৫৫৬৩; মুসনাদে আহমদ: ৭৬৮৭; মুসনাদে আবু ইয়ালা: ৬৪৬৮)</p>
<p>সবগুলো হাদিসই প্রমাণ করছে, মানুষ ও জ্বিন ছাড়া সবকিছু এমনকি আকাশ-বাতাস, পাহাড়-সাগরও জুমার দিন শুরু হলেই ভীত-সন্ত্রস্ত হয়ে পড়ে। আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে জুমার দিনের গুরুত্ব অনুধাবন করার তাওফিক দান করুন। অন্তরে আল্লাহর ভয় জাগ্রত করার বা তাকওয়া অর্জন করার তাওফিক দান করুন। আমিন। </p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://amadersomoy.net/archives/7204/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>জানা গেল রমজান মাস শুরুর সম্ভাব্য তারিখ</title>
		<link>https://amadersomoy.net/archives/7134</link>
					<comments>https://amadersomoy.net/archives/7134#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[Masteradmin]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 05 Jan 2023 03:48:10 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Leadnews]]></category>
		<category><![CDATA[ধর্মজীবন]]></category>
		<category><![CDATA[শিরোনাম]]></category>
		<category><![CDATA[জানা গেল রমজান মাস শুরুর সম্ভাব্য তারিখ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">http://amadersomoy.net/?p=7134</guid>

					<description><![CDATA[ঢাকা : জানা গেল, চলতি বছর সম্ভাব্য কবে থেকে রমযান মাস শুরু হবে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের জ্যোতির্বিজ্ঞান সংক্রান্ত প্রতিষ্ঠান এমিরেটস অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল সোসাইটি বলছে, চলতি বছর পবিত্র রমজান মাস আগামী ২৩ মার্চ (বৃহস্পতিবার) শুরু হতে পারে। বুধবার (৪ ডিসেম্বর) দেশটির ইংরেজি দৈনিক খালিজ টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জ্যোতির্বিজ্ঞানের হিসেব অনুযায়ী ২০২৩ সালের রমজান মাস ২৯ দিনে [&#8230;]]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>ঢাকা : জানা গেল, চলতি বছর সম্ভাব্য কবে থেকে রমযান মাস শুরু হবে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের জ্যোতির্বিজ্ঞান সংক্রান্ত প্রতিষ্ঠান এমিরেটস অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল সোসাইটি বলছে, চলতি বছর পবিত্র রমজান মাস আগামী ২৩ মার্চ (বৃহস্পতিবার) শুরু হতে পারে।</p>
<p>বুধবার (৪ ডিসেম্বর) দেশটির ইংরেজি দৈনিক খালিজ টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জ্যোতির্বিজ্ঞানের হিসেব অনুযায়ী ২০২৩ সালের রমজান মাস ২৯ দিনে হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সেই হিসেবে পবিত্র ঈদুল ফিতরের প্রথম দিন হবে আগামী ২১ এপ্রিল (শুক্রবার)।</p>
<p>খালিজ টাইমস বলছে, সংযুক্ত আরব আমিরাতে ঈদুল ফিতরের সরকারি ছুটি ২৯ রমজান থেকে ৩ শাওয়াল (হিজরি ইসলামী ক্যালেন্ডার মাস) পর্যন্ত। জ্যোতির্বিজ্ঞানের হিসাব সঠিক হলে, এই ছুটি ২০ এপ্রিল (বৃহস্পতিবার) থেকে ২৩ এপ্রিল (রোববার) পর্যন্ত হতে পারে।</p>
<p>ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখও প্রকাশ করেছেন আল জারওয়ান। তিনি বলেন, ১৯ জুন (সোমবার) হবে ইসলামি মাস জ্বিলহজের প্রথম দিন । যার অর্থ পবিত্র ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ ২৮ জুন (বুধবার) হতে পারে। ঈদুল আজহার আগের দিন আরাফাত দিবস পালন করা হয়। এবারে আরাফাত দিবস আগামী ২৭ জুন (মঙ্গলবার হতে পারে।</p>
<p>সূত্র: খালিজ টাইমস।</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://amadersomoy.net/archives/7134/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
